Posted on Leave a comment

৭ টি খাবার রক্তনালী ব্লক হওয়া প্রতিরোধ করবে

১) আপেল

আপেলে রয়েছে পেকটিন নামক কার্যকরী উপাদান যা দেহের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় ও রক্তনালীতে প্লাক জমার প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়। গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন মাত্র ১ টি আপেল রক্তনালীর শক্ত হওয়া এবং ব্লক হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৪০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

২) ব্রকলি

ব্রকলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে যা দেহের ক্যালসিয়ামকে হাড়ের উন্নতিতে কাজে লাগায় এবং ক্যালসিয়ামকে রক্তনালী নষ্ট করার হাত থেকে রক্ষা করে থাকে। ব্রকলির ফাইবার উপাদান দেহের কোলেস্টেরল কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

৩) দারুচিনি

দারুচিনির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্ডিওভ্যস্কুলার সিস্টেমের সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে থাকে। এছাড়াও গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন মাত্র ১ চামচ দারুচিনি গুঁড়ো দেহের কোলেস্টেরল কমায় এবং রক্তনালীতে প্লাক জমে ব্লক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।

৪) তৈলাক্ত মাছ

তৈলাক্ত মাছ বিশেষ করে সামুদ্রিক তৈলাক্ত মাছের ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমিয়ে হৃদপিণ্ডকে চিরকাল সুস্থ ও নীরোগ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫) তিসীবীজ

তিসীবীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আলফা লিনোলেনিক অ্যাসিড যা উচ্চ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তনালীর প্রদাহকে দূর করতে সহায়তা করে এবং সেই সাথে রক্তনালীর সুস্থতা নিশ্চিত করে।

৬) গ্রিন টি

গ্রিন টি অর্থাৎ সবুজ চায়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যাচেটিন যা দেহে কোলেস্টেরল শোষণ কমায় এবং হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে সহায়তা করে। প্রতিদিনের চা কফির পরিবর্তে গ্রিন টি পান করলে দেহের সুস্থতা নিশ্চিত হয়।

৭) কমলার রস

গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন ২ কাপ পরিমাণে শুধুমাত্র বিশুদ্ধ কমলার রস পান করলে রক্ত চাপ স্বাভাবিক থাকে। এবং কমলার রসের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তনালীর সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে ফলে রক্তনালী ড্যামেজ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।

Posted on Leave a comment

আম খেলে মানুষ মোটা হয়?

 আম পাকতে শুরু করেছে। রসালো এ ফল যেমন সুস্বাদু তেমনি কাজের। অনেকেই মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে আম খেতে চান না। আমে প্রচুর ক্যালরি থাকে। ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে যাঁরা আম খেতে চান না, তাঁরা নির্ভয়ে আম খেতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফলের রাজা আম। কারণ এটি চর্বিমুক্ত। এতে কোলস্টেরল নেই, এমনকি ক্ষতিকর লবণ নেই। এই গ্রীষ্মের গরমে প্রতিদিন আম খেতে পারেন নির্ভয়ে। একদিনে যদি তিনটি করেও আম খান, তবে তা ৪০০ ক্যালরির সমান হলেও আপনার ওজন বাড়বে না। এর ফাইবার আপনার হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করবে ও ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করবে। জুস করে আম খাওয়ার চেয়ে আস্ত আম খাওয়া ভালো। আমে যে ভিটামিন আর পুষ্টি আছে, তা অন্য খাবারের তুলনায় শরীরে আরও বেশি শক্তি জোগাবে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, ফ্যাটযুক্ত খাবারের বদলে আমকে খাদ্য তালিকায় যুক্ত করুন। এতে ওজন কমবে। ম্যাংগো ডট ওআরজির তথ্য অনুযায়ী, দিনে একটি আম খেলে দৈনিক ভিটামিন সির প্রয়োজনীয়তা শতভাগ পূরণ হয়, ভিটামিন এ এর চাহিদা পূরণ হয় ৩৫ ভাগ। আর ফাইবারের চাহিদা পূরণ হয় ১২ শতাংশ। তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই, ম্যাংগো ডট ওআরজি।
Posted on Leave a comment

সুস্থ থাকতে যে ৭ টি কাজ প্রতিদিন করা উচিৎ

১.পানি পান করুন
সুস্থ থাকতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল প্রচুর পরিমাণে পানি করা। আমাদের অনেকেই আছেন যারা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করে কফি, চা, কোমল পানীয় পান করে থাকেন। কিন্তু প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিৎ আমাদের সকলেরই। আপনি যেখানেই যান না কেন পানির বোতল সাথে নিতে ভুলবেন না।

২.সবসময় ভালো চিন্তা করুন
জীবনে যখন যাই-ই করেন না কেন সবসময় ভালো চিন্তা করুন। ভালো চিন্তা আমাদের দেহ ও মনকে সুস্থ রাখে। প্রতিদিন শুরু করুন ভাল চিন্তা দিয়ে, কোন খারাপ কিছু থেকেও ভালো আশা করুন। দেখবেন দেহ ও মন উভয়ই আপনাকে সুস্থ রাখবে।

৩.স্বাস্থ্যকর খাবার খান
সকালের নাস্তা শুরু করুন স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে, যা আপনাকে সারাদিন সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। খাবার এমন একটি জিনিস আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী, যা ছাড়া আমরা অচল। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং শরীরের জন্য যে সকল খাবার উপযুক্ত নয় তা আপনাকে জেনে নিতে হবে। তার মানে এই নয় যে কখনোই আপনি বাইরের জাঙ্ক ফুড খেতে পারবেনা না। অবশ্যই খেতে পারেন, তবে খুব বেশি নয়।

৪.প্রতিদিন ব্যায়াম করুন
সর্বদা সুস্থ থাকার মূল মন্ত্র হল ব্যায়াম। আপনি যদি প্রতিদিন সামান্য করে হলেও ব্যায়াম করতে পারেন, তবে তা আপনকে সুস্থ রাখবে এবং দেহে অতিরিক্তি মেদও জমতে দেবে না। তাই একটি রুটিন করে নিন যে নিয়মিত অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়ামের পিছনে ব্যয় করবেন।

৫.প্রতিদিন ভিটামিন খেয়ে নিন
এটা খুব ছোট্ট একটি কাজ যার মাধ্যমে আপনি সুস্থ থাকবেন। প্রতিদিন মাল্টিভিটামিন খেতে ভুলবেন না। এবং এই ভিটামিন আপনার দেহের অপূর্ণতা রোধ করবে। কিন্তু যে কোন ভিটামিন নেয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিতে ভুলবেন না। কারণ ডাক্তারই আপনাকে বলে দেবেন আপনার দেহের জন্য কোন ভিটামিন প্রয়োজন।

৬.যানবাহনে সাবাধানে থাকুন
আমাদের প্রতিদিনি বিভিন্ন কাজে বের হতে হয়। কিন্তু বের হওয়া মানেই মনের মধ্যে আতঙ্ক থাকা। কারণ রাস্তা ঘাটে এতো বেশী যানবাহন চলা ফেরা করে যে, সবসময়ই মনের মধ্যে যেকোন দুর্ঘটনা ঘটার ভয় থাকে। তাই আপনি যদি নিজের গাড়িতে করে যাতায়াত করেন তাহলে অবশ্যই সিট বেল্ট বাঁধতে ভুলবেন না এবং যারা অন্য সকল যানবাহনে চলাফেরা করেন তারাও নিজ নিজ অবস্থায় সাবধানে থাকুন।

৭.প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিন
সুস্থ থাকতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল নিয়মিত ৭ ঘণ্টা ঘুমানো। ভালো ঘুম আপনার দেহকেও সুস্থ রাখবে ও মনও ভালো রাখবে। তাছাড়া প্রতিদিন মানুষের ওপর দিয়ে যে পরিমাণে চাপ যায় এর জন্য দেহ ও মস্তিষ্ক সবল রাখতে নিয়মিত ৭ ঘন্টা ঘুম খুব জরুরি।