Posted on Leave a comment

কিভাবে চিনবেন ফরমালীন মুক্ত আম ?

আবু জাফর মুহাম্মদ শামসুদ্দিনঃ বর্তমানে সব কিছুতেই ভেজাল আর ফল মানেই হচ্ছে কেমিক্যাল। তাহলে এখন উপায় ? কিভাবে চেনার উপায় : কেমিক্যাল মুক্ত আম ? কেনার সময় আপনি যদি একটু সচেতন থাকেন, তাহলেই কিন্তু চেনা সম্ভব কেমিক্যাল মুক্ত আম। আসুন এর মাঝে কয়েকটি জেনে নেই।

► প্রথমেই লক্ষ্য করুন যে আমের গায়ে মাছি বসছে কিনা। কেননা ফরমালিন মুক্ত আমে মাছি বসে না।

► আম গাছে থাকা অবস্থায়, বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য কেমিক্যালে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।

► কার্বাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আম গুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।

► গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কার্বাইড দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।

► হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যারা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।

► আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনও গন্ধ থাকবে না, কিংবা বাজে গন্ধ থাকবে।

► আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে কোনও সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক বা মিষ্টি কোনও স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেওয়া।

► আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি ঘ্রান হবে না।

Posted on Leave a comment

এজেন্ট নিয়োগ

এজেন্ট নিয়োগ

গ্রীন এগ্রো মার্কেট এর পন্য বিক্রি লক্ষ্য সারা দেশ ব্যাপী এজেন্ট নিয়োগ চলছে । ইচ্ছুক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এজেন্টের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ।

বিস্তারিত জানতেঃ

ফোনঃ ০১৮৪১০০০৪৩৪  (সকাল ১০ থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত)

ইমেইলঃ info@greenagromarket.com

ফেইসবুক পেইজঃ https://web.facebook.com/GreenAgroMarket/

 

 

 

Posted on Leave a comment

ক্যান্সার প্রতিরোধ করবে ফুলকপি।

শীতমৌসুমের সবজির মধ্যে ফুলকপি অন্যতম। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই সবজি রোগপ্রতিরোধক হিসেবে দারুণ উপকারী। তাই খাওয়ার আগে জেনে নিন কেন খাবেন এইসবজি।ফুলকপিতে রয়েছে উল্লেখযোগ্য ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। ফুলকপিতে ভিটামিন‘এ’, ‘বি’ ছাড়াও আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও সালফার পাওয়া যায়। ফুলকপিরডাঁটা ও সবুজ পাতায়ও রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম।

ফিগার সচেতনরাফুলকপি খেতে পারেন নিঃশঙ্কায়। কারণ এতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম।ক্যান্সার প্রতিষেধক হিসেবে ফুলকপি খেতে পারেন। ফুলকপি ক্যান্সার সেল বাকোষকে ধ্বংস করে।এ ছাড়া মূত্রথলি ও প্রোস্টেট, স্তন ও ডিম্বাশয় ক্যান্সার প্রতিরোধেফুলকপির ভূমিকা অপরিসীম। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ শীতকালীনবিভিন্ন রোগ যেমন জ্বর, কাশি, সর্দি ও টনসিল প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকারাখে।

ফুলকপির ভিটামিন ‘এ’ চোখের জন্যও প্রয়োজনীয়। উচ্চ রক্তচাপ, হাইকোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিক রোগীরা ফুলকপি খেতে পারেন নিঃসঙ্কোচে। ডায়াবেটিসনিয়ন্ত্রণ এবং কোলেস্টেরল কমাতেও ফুলকপি ভালো কাজ করে।

ফুলকপিতে থাকা প্রচুর পরিমাণে আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।তবে অবশ্যই কিছু কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। যেমন, যাঁরা কিডনিরসমস্যায় ভুগছেন তাঁদের ফুলকপি বেশি না খাওয়াই ভালো।

ফুলকপিতে থাকা প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ আমিষ দুর্বল কিডনির ওপর অতিরিক্তচাপ সৃষ্টি করে। এ ছাড়া থাইরয়েড গ্ল্যান্ড-সংক্রান্ত জটিলতায়আক্রান্তদের ফুলকপি এড়িয়ে চলাই ভালো।

Posted on Leave a comment

মধু নিয়ে কিছু কথা

মধু চিনার উপায় ও উপকারিতা

খাটি মধুর বৈশিষ্ট্যঃ
– খাটি মধুতে কখনো কটু গন্ধ থাকে না।
– মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক কোনো বিষাক্ত উপাদান প্রাকৃতিক গাছে থাকলেও তার প্রভাব মধুতে থাকে না।
– মধু সংরক্ষণে কোনো পৃজারভেটিভ ব্যবহৃত হয় না। কারণ মধু নিজেই পৃজারভেটিভ গুণাগুণ সম্পন্ন পুষ্টিতে ভরপুর খাদ্য।
– মধু উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত, নিষ্কাশন, সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণের সময় অন্য কোনো পদার্থের সংমিশ্রণ প্রয়োজন হয় না।
– খাটি মধু পানির গ্লাসে ড্রপ আকারে ছাড়লে তা সরাসরি ড্রপ অবস্থায়ই গ্লাসের নিচে চলে যায়।

খাটি মধুর সহজ পরীক্ষাঃ
স্বচ্ছ কাচের গ্লাসের পানিতে খাটি মধু ঢেলে দিলে সহজে পানির সঙ্গে না মিশে গ্লাসের তলায় তলানি হিসেবে বসে থাকে। এ অবস্থা দুই-তিন ঘণ্টা স্থায়ী থাকে। কারণ মধুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে চার-পাচ গুণ ভারি। আর যদি ভেজাল হয় তবে সহজে পানির সঙ্গে মিশে যাবে।

মধুর উপকারিতাঃ
বিখ্যাত মুসলিম চিকিৎসক ইবনে সিনা তাঁর বিশ্বখ্যাত- Medical Test book The canon of medicine গ্রন্হে বহু রোগের প্রতিষেধক হিসেবে মধু ব্যবহারের সুপারিশ করেছেন। তিনি মধুর উপকারিতা সম্পর্কে বলেছেন, মধু আপনাকে সুখী করে, পরিপাকে সহায়তা করে, ঠান্ডার উপশম করে, ক্ষুধা বাড়ায়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি ও তীক্ষ্ম করে, জিহ্বা স্পষ্ট করে এবং যৌবন রক্ষা করে। নিম্নে মধুর কয়েকটি উপকারিতা পত্রস্থ করা হলো।

মধু সর্দি, কাশি, জ্বর, হাপানি, হৃদরোগ, পুরনো আমাশয় এবং পেটের পীড়া নিরাময়সহ নানাবিধ জটিল রোগের উপকার করে থাকে। এছাড়া মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য।
– মধুতে বিভিন্ন সূক্ষ্ম পুষ্টি উপাদান ও ভেষজ গুণ রয়েছে।
– মৌমাছি ফুলের পরাগায়নে সাহায্য করে শস্য উৎপাদন বাড়ায়।
– মৌচাক থেকে যে মোম পাওয়া যায় তা বিভিন্ন শিল্পজাত দ্রব্য যেমন- লোশন, সাবান, কৃম ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

– রূপচর্চার বিভিন্ন কাজে মধু ব্যবহার করা হয়।
-দাঁত ও ত্বকের সাধারণ অসুখ-বিসুখ হতে শুরু করে হৃৎযন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র, কোলেস্টরনের আধিক্য প্রভৃতি রোগ নিরাময়ে মধু সত্যই এক মহৌষধ।

Posted on Leave a comment

দাঁত হলদেটে করে দেয় যে খাবারগুলো

১.কফি
কফি হলো সবচেয়ে গাঢ় রঙের পানীয়গুলোর মধ্যে একটি। সুতরাং দাঁতের ওপর এর প্রভাবও কিন্তু তেমনই! এ থেকে বাঁচার উপায় হলো কফিতে বাড়তি দুধ মেশানো। তবে তা কফির স্বাদ নষ্ট করে দিতে পারে।

২.চা
এক কাপ কড়া লিকারে র’ চায়ের প্রভাবও কিন্তু সেই কফির মতোই! চাও একইভাবে আপনার দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন এক্ষেত্রে ভেষজ চা এবং হালকা লিকারের চা বেছে নেয়া উচিত।

৩.বালসামিক ভিনেগার
সাধারণত খাবারকে আরো মজাদার করে তুলতে এই সুগন্ধী ভিনেগার ব্যবহার করা হয়। গাঢ়, মজাদার এই ভিনেগার প্রভাব ফেলে দাঁতের এনামেলের ওপর। তবে এটি যদি আপনি সালাদ বা শাকে ব্যবহার করেন তাহলে ক্ষতিকর প্রভাব কিছুটা হলেও কমবে।

৪.কারি
যেকোনো ধরনের কারিই মজাদার। তবে এতে যে মশলা ব্যবহৃত হয় তার মিশ্রণ প্রভাব ফেলে দাঁতে এবং দাঁতকে হলদে করে ফেলে। তেল, হলুদ, মশলাযুক্ত যেকোনো খাবার খাওয়ার পর ঝটপট দাঁত ব্রাশ করে ফেলুন।

৫.টমেটো সস
ভাজাপোড়া হোক আর চাইনিজের কোনো ডিস, টমেটো সস ছাড়া কি ভাবা যায়? তাহলে এটা ভেবে নিন যে আপনার দাঁতের রঙ গাঢ় হতে শুরু করেছে। কারণ টমেটো সস শুধু গাঢ় রঙের খাবার নয়, এটা অ্যাসিডিকও বটে।

৬.কোলা এবং সোডা
এ ধরনের পানীয়ের বিপদ শুধু এদের রঙে নয় এদের উপাদানেও বটে। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা করে পান করা হয় বলে এগুলো দাঁতের ওপর সরাসরি ক্ষতিকার প্রভাব ফেলে। একই কথা অতিরিক্ত গরম পানীয়ের জন্যও প্রযোজ্য। যেমন চা বা কফি।

৭.সয়া সস
যদি আপনার দাঁত সাদা ঝকঝকে রাখতে চান তাহলে খাবারে সয়া সস ব্যবহার বন্ধ করুন। একে তো এটির গাঢ় রঙ, তার ওপর এটি হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড মিশ্রিত, যা সাদা দাঁতের জন্য মোটেও ভালো নয়।

৮.বিট
বিট খুবই পুষ্টিকর খাবার। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল। এর গাঢ় রঙের কারণেই হঠাত্‍ আপনার দাঁতের রঙ হলদে হয়ে যেতে পারে। তাই বিট খাওয়ার পর ভালো করে কুলি করুন অথবা দাঁত ব্রাশ করে ফেলুন।

 

https://www.facebook.com/groups/694607973935938