Posted on

রাজশাহীর আম পাড়ার সময়কাল নির্ধারন করা হয়েছে

রাজশাহী ও আশেপাশের উপজেলা গুলোতে আম পাড়ার সময় কাল নির্ধারন করা হয়েছে । বুধবার সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আম চাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় গাছ থেকে আম নামানোর এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। সভায় বেধে দেওয়া সময় অনুযায়ী আম নামানো হচ্ছে কি না তা মনিটরিং করতে প্রতিটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কৃষি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে মনিটরিং কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের আগে গাছ থেকে আম পাড়া হলে এই কমিটি ব্যবস্থা নেবে। আর চাষি ও ব্যবসায়ীদের সব সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করবে।

জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের জানান, সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০ মে-এর পরে গাছ থেকে গোপালভোগ জাতের আম নামানো যাবে। আর হিমসাগর, ক্ষিরসাপাত ও লক্ষণভোগ আম নামানো যাবে ১ জুনের পরে। ল্যাংড়া আম নামানো যাবে জুনের ৬ তারিখ থেকে। এছাড়া আম্রপালি ও ফজলি আম ১৬ জুন এবং আশ্বিনা জাতের আম ১ জুলাইয়ের আগে চাষিরা গাছ থেকে নামাতে পারবেন না।

জেলা প্রশাসক বলেন, বিভিন্ন জাতের আম নামানোর জন্য সম্ভাব্য সময় ঠিক করে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে ওই চিঠিতে আম চাষি ও ব্যবসায়ীদের মতামত নিয়ে আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এসএম আব্দুল কাদের বলেন, রাজশাহীর আমে কখনও ফরমালিন মেশানো হয় না। কৃত্রিমভাবেও আম পাকানো হয় না। কিন্তু যখন বাজারে অনেক আগে কিংবা পরে আম পাওয়া যায়, তখন অনেকেই মনে করেন যে আমে কেমিক্যাল দেওয়া আছে। ক্রেতাদের এই ভীতি দূর করতেই আম পাড়ার একটা নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে দেওয়া হলো। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সবার আগে চাষিদের স্বার্থ রক্ষা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, জেলার সবচেয়ে বড় আমের হাট পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে অস্থায়ী অফিস খুলবেন ইউএনও। বানেশ্বরে থাকা বিভিন্ন ব্যাংকের শাখাগুলো শনিবারও খোলা থাকবে। এছাড়া জেলা প্রশাসন থেকে তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিনে আট ঘণ্টা করে ২৪ ঘণ্টা সেখানে দায়িত্ব পালন করবেন। আম পরিবহনে যেন কোনো সমস্যা না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করবে পুলিশ।

সভায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত পাল, জেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুর রাজ্জাক খান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দেব দুলাল ঢালি, বিএসটিআইয়ের রাজশাহীর উপ-পরিচালক খায়রুল ইসলাম, রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জিএম মোরশেদুল বারী, বাঘার আম চাষি জিল্লুর রহমান ও আম ব্যবসায়ী আজমল হোসেন।

সুত্রঃ https://www.ntvbd.com/

Posted on

কিভাবে চিনবেন ফরমালীন মুক্ত আম ?

আবু জাফর মুহাম্মদ শামসুদ্দিনঃ বর্তমানে সব কিছুতেই ভেজাল আর ফল মানেই হচ্ছে কেমিক্যাল। তাহলে এখন উপায় ? কিভাবে চেনার উপায় : কেমিক্যাল মুক্ত আম ? কেনার সময় আপনি যদি একটু সচেতন থাকেন, তাহলেই কিন্তু চেনা সম্ভব কেমিক্যাল মুক্ত আম। আসুন এর মাঝে কয়েকটি জেনে নেই।

► প্রথমেই লক্ষ্য করুন যে আমের গায়ে মাছি বসছে কিনা। কেননা ফরমালিন মুক্ত আমে মাছি বসে না।

► আম গাছে থাকা অবস্থায়, বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য কেমিক্যালে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।

► কার্বাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আম গুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।

► গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কার্বাইড দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।

► হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যারা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।

► আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনও গন্ধ থাকবে না, কিংবা বাজে গন্ধ থাকবে।

► আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে কোনও সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক বা মিষ্টি কোনও স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেওয়া।

► আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি ঘ্রান হবে না।

Posted on

এজেন্ট নিয়োগ

এজেন্ট নিয়োগ

গ্রীন এগ্রো মার্কেট এর পন্য বিক্রি লক্ষ্য সারা দেশ ব্যাপী এজেন্ট নিয়োগ চলছে । ইচ্ছুক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এজেন্টের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ।

বিস্তারিত জানতেঃ

ফোনঃ ০১৮৪১০০০৪৩৪  (সকাল ১০ থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত)

ইমেইলঃ info@greenagromarket.com

ফেইসবুক পেইজঃ https://web.facebook.com/GreenAgroMarket/

 

 

 

Posted on

৭ টি খাবার রক্তনালী ব্লক হওয়া প্রতিরোধ করবে

১) আপেল

আপেলে রয়েছে পেকটিন নামক কার্যকরী উপাদান যা দেহের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় ও রক্তনালীতে প্লাক জমার প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়। গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন মাত্র ১ টি আপেল রক্তনালীর শক্ত হওয়া এবং ব্লক হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৪০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

২) ব্রকলি

ব্রকলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে যা দেহের ক্যালসিয়ামকে হাড়ের উন্নতিতে কাজে লাগায় এবং ক্যালসিয়ামকে রক্তনালী নষ্ট করার হাত থেকে রক্ষা করে থাকে। ব্রকলির ফাইবার উপাদান দেহের কোলেস্টেরল কমায় এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

৩) দারুচিনি

দারুচিনির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্ডিওভ্যস্কুলার সিস্টেমের সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে থাকে। এছাড়াও গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন মাত্র ১ চামচ দারুচিনি গুঁড়ো দেহের কোলেস্টেরল কমায় এবং রক্তনালীতে প্লাক জমে ব্লক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।

৪) তৈলাক্ত মাছ

তৈলাক্ত মাছ বিশেষ করে সামুদ্রিক তৈলাক্ত মাছের ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমিয়ে হৃদপিণ্ডকে চিরকাল সুস্থ ও নীরোগ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫) তিসীবীজ

তিসীবীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আলফা লিনোলেনিক অ্যাসিড যা উচ্চ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তনালীর প্রদাহকে দূর করতে সহায়তা করে এবং সেই সাথে রক্তনালীর সুস্থতা নিশ্চিত করে।

৬) গ্রিন টি

গ্রিন টি অর্থাৎ সবুজ চায়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যাচেটিন যা দেহে কোলেস্টেরল শোষণ কমায় এবং হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে সহায়তা করে। প্রতিদিনের চা কফির পরিবর্তে গ্রিন টি পান করলে দেহের সুস্থতা নিশ্চিত হয়।

৭) কমলার রস

গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন ২ কাপ পরিমাণে শুধুমাত্র বিশুদ্ধ কমলার রস পান করলে রক্ত চাপ স্বাভাবিক থাকে। এবং কমলার রসের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তনালীর সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে ফলে রক্তনালী ড্যামেজ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।

Posted on

আম খেলে মানুষ মোটা হয়?

 আম পাকতে শুরু করেছে। রসালো এ ফল যেমন সুস্বাদু তেমনি কাজের। অনেকেই মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে আম খেতে চান না। আমে প্রচুর ক্যালরি থাকে। ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে যাঁরা আম খেতে চান না, তাঁরা নির্ভয়ে আম খেতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফলের রাজা আম। কারণ এটি চর্বিমুক্ত। এতে কোলস্টেরল নেই, এমনকি ক্ষতিকর লবণ নেই। এই গ্রীষ্মের গরমে প্রতিদিন আম খেতে পারেন নির্ভয়ে। একদিনে যদি তিনটি করেও আম খান, তবে তা ৪০০ ক্যালরির সমান হলেও আপনার ওজন বাড়বে না। এর ফাইবার আপনার হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করবে ও ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করবে। জুস করে আম খাওয়ার চেয়ে আস্ত আম খাওয়া ভালো। আমে যে ভিটামিন আর পুষ্টি আছে, তা অন্য খাবারের তুলনায় শরীরে আরও বেশি শক্তি জোগাবে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, ফ্যাটযুক্ত খাবারের বদলে আমকে খাদ্য তালিকায় যুক্ত করুন। এতে ওজন কমবে। ম্যাংগো ডট ওআরজির তথ্য অনুযায়ী, দিনে একটি আম খেলে দৈনিক ভিটামিন সির প্রয়োজনীয়তা শতভাগ পূরণ হয়, ভিটামিন এ এর চাহিদা পূরণ হয় ৩৫ ভাগ। আর ফাইবারের চাহিদা পূরণ হয় ১২ শতাংশ। তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই, ম্যাংগো ডট ওআরজি।
Posted on

ক্যান্সার প্রতিরোধ করবে ফুলকপি।

শীতমৌসুমের সবজির মধ্যে ফুলকপি অন্যতম। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই সবজি রোগপ্রতিরোধক হিসেবে দারুণ উপকারী। তাই খাওয়ার আগে জেনে নিন কেন খাবেন এইসবজি।ফুলকপিতে রয়েছে উল্লেখযোগ্য ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। ফুলকপিতে ভিটামিন‘এ’, ‘বি’ ছাড়াও আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও সালফার পাওয়া যায়। ফুলকপিরডাঁটা ও সবুজ পাতায়ও রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম।

ফিগার সচেতনরাফুলকপি খেতে পারেন নিঃশঙ্কায়। কারণ এতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম।ক্যান্সার প্রতিষেধক হিসেবে ফুলকপি খেতে পারেন। ফুলকপি ক্যান্সার সেল বাকোষকে ধ্বংস করে।এ ছাড়া মূত্রথলি ও প্রোস্টেট, স্তন ও ডিম্বাশয় ক্যান্সার প্রতিরোধেফুলকপির ভূমিকা অপরিসীম। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ শীতকালীনবিভিন্ন রোগ যেমন জ্বর, কাশি, সর্দি ও টনসিল প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকারাখে।

ফুলকপির ভিটামিন ‘এ’ চোখের জন্যও প্রয়োজনীয়। উচ্চ রক্তচাপ, হাইকোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিক রোগীরা ফুলকপি খেতে পারেন নিঃসঙ্কোচে। ডায়াবেটিসনিয়ন্ত্রণ এবং কোলেস্টেরল কমাতেও ফুলকপি ভালো কাজ করে।

ফুলকপিতে থাকা প্রচুর পরিমাণে আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।তবে অবশ্যই কিছু কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। যেমন, যাঁরা কিডনিরসমস্যায় ভুগছেন তাঁদের ফুলকপি বেশি না খাওয়াই ভালো।

ফুলকপিতে থাকা প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ আমিষ দুর্বল কিডনির ওপর অতিরিক্তচাপ সৃষ্টি করে। এ ছাড়া থাইরয়েড গ্ল্যান্ড-সংক্রান্ত জটিলতায়আক্রান্তদের ফুলকপি এড়িয়ে চলাই ভালো।

Posted on

মধু নিয়ে কিছু কথা

মধু চিনার উপায় ও উপকারিতা

খাটি মধুর বৈশিষ্ট্যঃ
– খাটি মধুতে কখনো কটু গন্ধ থাকে না।
– মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক কোনো বিষাক্ত উপাদান প্রাকৃতিক গাছে থাকলেও তার প্রভাব মধুতে থাকে না।
– মধু সংরক্ষণে কোনো পৃজারভেটিভ ব্যবহৃত হয় না। কারণ মধু নিজেই পৃজারভেটিভ গুণাগুণ সম্পন্ন পুষ্টিতে ভরপুর খাদ্য।
– মধু উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত, নিষ্কাশন, সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণের সময় অন্য কোনো পদার্থের সংমিশ্রণ প্রয়োজন হয় না।
– খাটি মধু পানির গ্লাসে ড্রপ আকারে ছাড়লে তা সরাসরি ড্রপ অবস্থায়ই গ্লাসের নিচে চলে যায়।

খাটি মধুর সহজ পরীক্ষাঃ
স্বচ্ছ কাচের গ্লাসের পানিতে খাটি মধু ঢেলে দিলে সহজে পানির সঙ্গে না মিশে গ্লাসের তলায় তলানি হিসেবে বসে থাকে। এ অবস্থা দুই-তিন ঘণ্টা স্থায়ী থাকে। কারণ মধুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে চার-পাচ গুণ ভারি। আর যদি ভেজাল হয় তবে সহজে পানির সঙ্গে মিশে যাবে।

মধুর উপকারিতাঃ
বিখ্যাত মুসলিম চিকিৎসক ইবনে সিনা তাঁর বিশ্বখ্যাত- Medical Test book The canon of medicine গ্রন্হে বহু রোগের প্রতিষেধক হিসেবে মধু ব্যবহারের সুপারিশ করেছেন। তিনি মধুর উপকারিতা সম্পর্কে বলেছেন, মধু আপনাকে সুখী করে, পরিপাকে সহায়তা করে, ঠান্ডার উপশম করে, ক্ষুধা বাড়ায়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি ও তীক্ষ্ম করে, জিহ্বা স্পষ্ট করে এবং যৌবন রক্ষা করে। নিম্নে মধুর কয়েকটি উপকারিতা পত্রস্থ করা হলো।

মধু সর্দি, কাশি, জ্বর, হাপানি, হৃদরোগ, পুরনো আমাশয় এবং পেটের পীড়া নিরাময়সহ নানাবিধ জটিল রোগের উপকার করে থাকে। এছাড়া মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য।
– মধুতে বিভিন্ন সূক্ষ্ম পুষ্টি উপাদান ও ভেষজ গুণ রয়েছে।
– মৌমাছি ফুলের পরাগায়নে সাহায্য করে শস্য উৎপাদন বাড়ায়।
– মৌচাক থেকে যে মোম পাওয়া যায় তা বিভিন্ন শিল্পজাত দ্রব্য যেমন- লোশন, সাবান, কৃম ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

– রূপচর্চার বিভিন্ন কাজে মধু ব্যবহার করা হয়।
-দাঁত ও ত্বকের সাধারণ অসুখ-বিসুখ হতে শুরু করে হৃৎযন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র, কোলেস্টরনের আধিক্য প্রভৃতি রোগ নিরাময়ে মধু সত্যই এক মহৌষধ।

Posted on

সুস্থ থাকতে যে ৭ টি কাজ প্রতিদিন করা উচিৎ

১.পানি পান করুন
সুস্থ থাকতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল প্রচুর পরিমাণে পানি করা। আমাদের অনেকেই আছেন যারা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করে কফি, চা, কোমল পানীয় পান করে থাকেন। কিন্তু প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিৎ আমাদের সকলেরই। আপনি যেখানেই যান না কেন পানির বোতল সাথে নিতে ভুলবেন না।

২.সবসময় ভালো চিন্তা করুন
জীবনে যখন যাই-ই করেন না কেন সবসময় ভালো চিন্তা করুন। ভালো চিন্তা আমাদের দেহ ও মনকে সুস্থ রাখে। প্রতিদিন শুরু করুন ভাল চিন্তা দিয়ে, কোন খারাপ কিছু থেকেও ভালো আশা করুন। দেখবেন দেহ ও মন উভয়ই আপনাকে সুস্থ রাখবে।

৩.স্বাস্থ্যকর খাবার খান
সকালের নাস্তা শুরু করুন স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে, যা আপনাকে সারাদিন সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। খাবার এমন একটি জিনিস আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী, যা ছাড়া আমরা অচল। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং শরীরের জন্য যে সকল খাবার উপযুক্ত নয় তা আপনাকে জেনে নিতে হবে। তার মানে এই নয় যে কখনোই আপনি বাইরের জাঙ্ক ফুড খেতে পারবেনা না। অবশ্যই খেতে পারেন, তবে খুব বেশি নয়।

৪.প্রতিদিন ব্যায়াম করুন
সর্বদা সুস্থ থাকার মূল মন্ত্র হল ব্যায়াম। আপনি যদি প্রতিদিন সামান্য করে হলেও ব্যায়াম করতে পারেন, তবে তা আপনকে সুস্থ রাখবে এবং দেহে অতিরিক্তি মেদও জমতে দেবে না। তাই একটি রুটিন করে নিন যে নিয়মিত অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়ামের পিছনে ব্যয় করবেন।

৫.প্রতিদিন ভিটামিন খেয়ে নিন
এটা খুব ছোট্ট একটি কাজ যার মাধ্যমে আপনি সুস্থ থাকবেন। প্রতিদিন মাল্টিভিটামিন খেতে ভুলবেন না। এবং এই ভিটামিন আপনার দেহের অপূর্ণতা রোধ করবে। কিন্তু যে কোন ভিটামিন নেয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিতে ভুলবেন না। কারণ ডাক্তারই আপনাকে বলে দেবেন আপনার দেহের জন্য কোন ভিটামিন প্রয়োজন।

৬.যানবাহনে সাবাধানে থাকুন
আমাদের প্রতিদিনি বিভিন্ন কাজে বের হতে হয়। কিন্তু বের হওয়া মানেই মনের মধ্যে আতঙ্ক থাকা। কারণ রাস্তা ঘাটে এতো বেশী যানবাহন চলা ফেরা করে যে, সবসময়ই মনের মধ্যে যেকোন দুর্ঘটনা ঘটার ভয় থাকে। তাই আপনি যদি নিজের গাড়িতে করে যাতায়াত করেন তাহলে অবশ্যই সিট বেল্ট বাঁধতে ভুলবেন না এবং যারা অন্য সকল যানবাহনে চলাফেরা করেন তারাও নিজ নিজ অবস্থায় সাবধানে থাকুন।

৭.প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিন
সুস্থ থাকতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল নিয়মিত ৭ ঘণ্টা ঘুমানো। ভালো ঘুম আপনার দেহকেও সুস্থ রাখবে ও মনও ভালো রাখবে। তাছাড়া প্রতিদিন মানুষের ওপর দিয়ে যে পরিমাণে চাপ যায় এর জন্য দেহ ও মস্তিষ্ক সবল রাখতে নিয়মিত ৭ ঘন্টা ঘুম খুব জরুরি।

Posted on

দাঁত হলদেটে করে দেয় যে খাবারগুলো

১.কফি
কফি হলো সবচেয়ে গাঢ় রঙের পানীয়গুলোর মধ্যে একটি। সুতরাং দাঁতের ওপর এর প্রভাবও কিন্তু তেমনই! এ থেকে বাঁচার উপায় হলো কফিতে বাড়তি দুধ মেশানো। তবে তা কফির স্বাদ নষ্ট করে দিতে পারে।

২.চা
এক কাপ কড়া লিকারে র’ চায়ের প্রভাবও কিন্তু সেই কফির মতোই! চাও একইভাবে আপনার দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন এক্ষেত্রে ভেষজ চা এবং হালকা লিকারের চা বেছে নেয়া উচিত।

৩.বালসামিক ভিনেগার
সাধারণত খাবারকে আরো মজাদার করে তুলতে এই সুগন্ধী ভিনেগার ব্যবহার করা হয়। গাঢ়, মজাদার এই ভিনেগার প্রভাব ফেলে দাঁতের এনামেলের ওপর। তবে এটি যদি আপনি সালাদ বা শাকে ব্যবহার করেন তাহলে ক্ষতিকর প্রভাব কিছুটা হলেও কমবে।

৪.কারি
যেকোনো ধরনের কারিই মজাদার। তবে এতে যে মশলা ব্যবহৃত হয় তার মিশ্রণ প্রভাব ফেলে দাঁতে এবং দাঁতকে হলদে করে ফেলে। তেল, হলুদ, মশলাযুক্ত যেকোনো খাবার খাওয়ার পর ঝটপট দাঁত ব্রাশ করে ফেলুন।

৫.টমেটো সস
ভাজাপোড়া হোক আর চাইনিজের কোনো ডিস, টমেটো সস ছাড়া কি ভাবা যায়? তাহলে এটা ভেবে নিন যে আপনার দাঁতের রঙ গাঢ় হতে শুরু করেছে। কারণ টমেটো সস শুধু গাঢ় রঙের খাবার নয়, এটা অ্যাসিডিকও বটে।

৬.কোলা এবং সোডা
এ ধরনের পানীয়ের বিপদ শুধু এদের রঙে নয় এদের উপাদানেও বটে। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা করে পান করা হয় বলে এগুলো দাঁতের ওপর সরাসরি ক্ষতিকার প্রভাব ফেলে। একই কথা অতিরিক্ত গরম পানীয়ের জন্যও প্রযোজ্য। যেমন চা বা কফি।

৭.সয়া সস
যদি আপনার দাঁত সাদা ঝকঝকে রাখতে চান তাহলে খাবারে সয়া সস ব্যবহার বন্ধ করুন। একে তো এটির গাঢ় রঙ, তার ওপর এটি হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড মিশ্রিত, যা সাদা দাঁতের জন্য মোটেও ভালো নয়।

৮.বিট
বিট খুবই পুষ্টিকর খাবার। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল। এর গাঢ় রঙের কারণেই হঠাত্‍ আপনার দাঁতের রঙ হলদে হয়ে যেতে পারে। তাই বিট খাওয়ার পর ভালো করে কুলি করুন অথবা দাঁত ব্রাশ করে ফেলুন।

 

https://www.facebook.com/groups/694607973935938